টেকনোলজি

মোবাইলে ডাটা এন্ট্রি করে আয় | ১২ টি উপাই জেনে নি চলুন

মোবাইলে ডাটা এন্ট্রি করে আয় করা বর্তমানে একটি জনপ্রিয় উপায় হয়ে উঠেছে। বাড়িতে বসেই অল্প সময় দিয়েই আপনি এই কাজ করে আয় করতে পারেন। আপনার যদি ভাল দক্ষতা থাকে তাহলে আপনি প্রতি মাসে ১০০-৩০০ ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারবেন। ডাটা এন্ট্রি কীভাবে করা যায়, কোন কোন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে কাজ করা যায় এবং মাসে কত টাকা আয় করা যায়, শিখতে কত দিন লাগে, এই সব বিষয়ে আজকে আমরা আলোচনা করব। আসুন, বিস্তারিত জেনে নি মোবাইলে ডাটা এন্ট্রি করে আয় এঁর সেরা কিছু উপায়।

ডাটা এন্ট্রি কি

ডাটা এন্ট্রি হলো বিভিন্ন ধরনের তথ্যকে কম্পিউটারে বা মোবাইল ডিভাইসে সংরক্ষণ করে রাখার একটি প্রক্রিয়া। এই তথ্যগুলো হতে পারে নাম, ঠিকানা, ফোন নাম্বার, তারিখ, বা অন্য কোন ধরনের তথ্য। এটি একটি খুবই সাধারণ কাজ যা বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যেমন অফিস, ব্যাংক, হাসপাতাল ইত্যাদি। ডাটা এন্ট্রি করার জন্য বিভিন্ন সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়, যেমন মাইক্রোসফট এক্সেল, গুগল শীটস ইত্যাদি।

ডাটা এন্ট্রির কাজ কি কি?

ডাটা এন্ট্রির কাজের ধরন অনেক রকমের হতে পারে। আধুনিক যুগে ডাটা এন্ট্রির ধারণাটা অনেক বড় হয়েছে। কারন বিভিন্ন কম্পানির বা প্রতিষ্ঠান এর তথ্যগুলোকে সাজানো, বিশ্লেষণ করা এবং ব্যবহার উপযোগী করার জন্য এই ডাটা এন্ট্রি করে রাখা হয় যাতে পরবর্তীতে সহজেয় এই তথ্য বের করে সঠিক পদ্ধতিতে করা যায়।

আরো পড়ুন: অনলাইনে ইনকাম করার উপায় ২০২৫ | ৫ টি সহজ উপায়

মোবাইলে ডাটা এন্ট্রি করে আয়

এবার চলুন দেখে নি ডাটা এন্ট্রি তে কি কি ধরনের কাজ রয়েছেঃ 

  1. ট্রান্সলেসনঃ এক ভাষা থেকে আরেক ভাষায় রুপান্তর করা।
  2. ইমেজ টু টেক্সটঃ যে কোনো ইমেজ এর মধ্যে থাকা লিখা গুলো কোনো ডকুমেন্ট এ লিখে রাখাও এক ধরনের ডাটা এন্ট্রি।
  3. পিডিএফ থেকে লিখাঃ কোনো পিডিএফ এর মধ্যে থাকা কোনো লিখা বা তথ্য সংরক্ষন করে রাখার কাজ ও এক ধরনের ডাটা এন্ট্রি।
  4. টাইপিং জবঃ  হাতের লিখা কে Computer অথবা মোবাইল লিখে কোনো ফাইল এ সংরক্ষন করা ও এক ধরনের ডাটা এন্ট্রি।
  5. ফর্ম পূরণ: বিভিন্ন ধরনের ফর্ম, যেমন আবেদন ফর্ম, রেজিস্ট্রেশন ফর্ম ইত্যাদি কম্পিউটারে পূরণ করা।
  6. ডেটাবেজে তথ্য সংরক্ষন : কোনো কোম্পানির ডেটাবেজে গ্রাহকের তথ্য, পণ্যের তথ্য ইত্যাদি সংরক্ষন করা।
  7. স্প্রেডশীটে তথ্য সংরক্ষন: মাইক্রোসফট এক্সেল বা গুগল শীটসে তথ্য সাজানো ও বিশ্লেষণ করা।
  8. ওয়েবসাইটে তথ্য আপডেট: ওয়েবসাইটের বিভিন্ন পাতায় তথ্য আপডেট করা।
  9. ডকুমেন্ট স্ক্যান করে ডাটা এন্ট্রি: কাগজের ডকুমেন্টকে স্ক্যান করে কম্পিউটারে পরিণত করা এবং তারপর সেই তথ্যগুলোকে ডাটাবেজে প্রবেশ করা।
  10. ডাটা ক্লিনিং: যে কোনো তথ্যকে পরীক্ষা করে ভুলত্রুটি সংশোধন করা।
  11. ডাটা এনালিসিস: সংগৃহীত তথ্যগুলোকে বিশ্লেষণ করে  ব্যাবহার উপযোগী করে তৈরি করে।
  12. ডাটা কনভার্ট করা: একটি ফরম্যাট থেকে অন্য ফরম্যাটে ডাটা রূপান্তর করা।

আশা করি বুঝতে পেরেছেন কিভাবে মোবাইলে ডাটা এন্ট্রি করে আয়। আপনার ভাল লাগার উপর আপনি যে কোনো কাজ করতে পারবেন।

আরো পড়ুন: টিকটক থেকে আয় করার উপায় | সেরা ৫ টি উপায় জেনে নিন

ডাটা এন্ট্রি কি মোবাইলে করা যায়

হ্যাঁ, অবশ্যই মোবাইলে ডাটা এন্ট্রি করা যায়! আজকের এই ডিজিটাল যুগে মোবাইল ফোন কেবল যোগাযোগের মাধ্যমই নয়, এটি একটি শক্তিশালী কম্পিউটিং ডিভাইসে পরিণত হয়েছে। মোবাইলে বিভিন্ন ধরনের অ্যাপস ও সফটওয়্যারের সাহায্যে আপনি সহজেই ডাটা এন্ট্রির কাজ করতে পারবেন।

মোবাইলে ডাটা এন্ট্রির জন্য আপনার একটি স্মার্টফোন এবং ভাল ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেই চলবে। আপনি Google Sheets, Microsoft Excel এর মতো অ্যাপস ব্যবহার করে সরাসরি আপনার মোবাইলে ডাটা এন্ট্রি করতে পারবেন। এছাড়াও, অনেক অনলাইন প্ল্যাটফর্ম আছে যেখানে আপনি মোবাইল থেকেই ডাটা এন্ট্রির কাজ পাবেন এবং করতে পারবেন।

ডাটা এন্ট্রি করতে কেমন মোবাইল প্রয়োজন?

আপনার দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য যে মোবাইলটি ব্যবহার করেন, সেটিই দিয়েই আপনি ডাটা এন্ট্রির কাজ করতে পারবেন। তবে যদি আপনি প্রচুর পরিমাণে ডাটা এন্ট্রি করতে চান বা জটিল কাজ গুলি করতে চান তাহলে আপনার মোবাইল এঁর কন্ডিশন একটু ভালো থাকা লাগবে। কারণ ফোনের কন্ডিশন যদি স্ট্রং না হয় সে ক্ষেত্রে কাজ করার ক্ষেত্রে বিঘ্ন হতে পারে সেক্ষেত্রে আপনার ফোনের রেম (Ram) মিনিমাম ৪ জিবি হতে হবে এবং হার্ডডিক্স অথবা ফোন মেমোরি ৬৪ জিবি হতে হবে। আর ফোনের রেম যদি ৮ জিবি এবং ফোন মেমোরি ১৬৪ জিবি হয় তাহলে নির্বিঘ্নে অনেক জটিল ডাটা এন্ট্রির কাজগুলো অনেক দ্রুততার সাথে করতে পারবেন।

ডাটা এন্ট্রি জবস ওয়ার্ক ফ্রম হোম

ডাটা এন্ট্রি জবস আপনি ঘরে বসেই করতে পারবেন।  ধরুন আপনি একজন গৃহিণী বা বাইরে খুব একটা বের হতে পারেন না সাংসারিক বিভিন্ন কাজ যেমন বাচ্চার দেখাশোনা প্রতিপালন বা অন্যান্য কাজ এর চাপে। এখন আপনি যদি চান আপনি ঘরে বসেই আপনার হাতে থাকা মোবাইলের মাধ্যমে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে কাজ খোঁজার মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের ক্লাইন্টের সাথে কমিউনিকেশন করে ঘরে বসেই সুন্দরভাবে ডাটা এন্ট্রি কাজ করতে পারবেন এবং কাজ শেষে ঘরে বসেই আপনার মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে পেমেন্ট নিতে পারবেন অতএব আমরা বুঝতে পারলাম যে আপনার যদি ভালো দক্ষতা থাকে এবং কাজ করার মন মানসিকতা থাকে তাহলে আপনি ঘরে বসেই কাজ করতে পারবেন এজন্য আপনার বাইরে যেতে হবে না।

ডাটা এন্ট্রি শিখতে কত দিন লাগে

ডাটা এন্ট্রি শিখতে কত সময় লাগবে তা আপনার আগের জ্ঞান, দক্ষতা এবং দৈনিক কত সময় দিতে পারবেন তার উপর নির্ভর করে। সাধারণত, একজন নতুন শিক্ষার্থী কয়েক সপ্তাহ বা ১ থেকে ২ মাসের মধ্যে মধ্যে ডাটা এন্ট্রির কাজগুলো শিখে ফেলতে পারেন। 

তাহলে চলুন জেনে নেই কোন কোন উপায়ে আপনি ডাটা এন্ট্রির কাজ শিখতে পারবেনঃ

  • অনলাইন কোর্স: বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে বিনামূল্যে বা স্বল্প খরচে কোর্স করতে পারেন।
  • ইউটিউব ভিডিও: অনেক ইউটিউব ইউটিউব চ্যানেল রয়েছে যেখানে তারা তাদের বাস্তব অভিজ্ঞতা দিয়ে ডাটা এন্ট্রির বিভিন্ন কাজ শিখে থাকে আপনি তাদেরকে ফলো করে এবং তারা যে বিষয়গুলো নিয়মিত শেখায় সেগুলো দিয়ে সহজেই ডাটা এন্টির কাজ শিখতে পারবেন। এর জন্য আপনাকে কোন টাকা খরচ করতে হবে না যদি আপনার শেখার প্রবল আগ্রহ থাকে। এখন আমি কিছু জনপ্রিয় চ্যানেলের নাম উল্লেখ করছি যেখান থেকে আপনি ফ্রিতেই খুব সুন্দর ভাবে ডাটা এন্ট্রি শিখতে পারবেন।

১। RH Tech

২। Farabi smart Diary

৩। Ten Minute School

ডাটা এন্ট্রি প্র্যাকটিসের সময় যে বিষয়গুলো আপনার খেয়াল রাখা উচিত তা নিয়ে দেয়া হলোঃ

  • মাইক্রোসফট অফিস: এক্সেল, ওয়ার্ড ইত্যাদি সফটওয়্যার ব্যবহার করা।
  • ডাটাবেজ সফটওয়্যার: যেমন মাইএসকিউএল ইত্যাদি।
  • টাইপিং স্পিড বাড়ানো: দ্রুত এবং সঠিকভাবে টাইপ করা।

ডাটা এন্ট্রি কাজ করে মাসে কত টাকা আয় করা যায়?

ডাটা এন্ট্রি করে মাসে কত টাকা আয় করা যায়, তা নির্ভর করে কয়েকটি বিষয়ের উপর। মাসিক ইনকামের ব্যাপারে যদি বলি তাহলে আমার ব্যক্তিগত ইনকামের ব্যাপারটা আমি ব্যাখ্যা করছি আপনাদের কাছে এখন। যেমন আমি Upwork থেকে একটি কাজের বিনিময়ে ২৫০$ ডলার মাসিক চুক্তি হিসেবে কাজ করেছিলাম যা বাংলা টাকায় ১০ হাজার টাকার উপরে আসে। মূল কথা মাসিক ইনকাম টা নির্ভর করবে আপনার দক্ষতা এবং প্রতি মাসে কতগুলি কাজ করছেন তার উপরে যারা Upwork এ টপ রেটেড ডাটা এন্ট্রি ফ্রিল্যান্সার আছে তারা মাসিক ১০০০$ থেকে ২০০০$ ডলার পর্যন্ত ইনকাম করে থাকে।

সাধারণত ইনকাম যে বিষয়গুলোর উপর নির্ভর করে তা হল:

  • আপনার দক্ষতা: আপনি যত দ্রুত এবং নির্ভুলভাবে কাজ করতে পারবেন, তত বেশি আয় করার সুযোগ থাকবে।
  • কাজের পরিমাণ: আপনি কত ঘন্টা কাজ করবেন এবং কত টা কাজ সম্পন্ন করবেন, তার উপর নির্ভর করে আয়।
  • কাজের ধরন: বিভিন্ন ধরনের ডাটা এন্ট্রির কাজের জন্য ভিন্ন ভিন্ন কাজের মূল্য দেওয়া হয়।
  • কাজের জটিলতা: কাজ যত জটিল হবে, তত বেশি পারিশ্রমিক পাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।
  • প্ল্যাটফর্ম: আপনি যে প্ল্যাটফর্মে কাজ করবেন, সেখানে কাজের মূল্য নির্ধারিত থাকে তারমানে আপনি সেখান থেকে সেই পরিমানে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

সাধারণত, একজন নতুন ফ্রীলাঞ্চার প্রতি ঘন্টায় ১০০-২০০ টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারেন। অভিজ্ঞ এবং দক্ষ ব্যক্তিরা ঘণ্টায় ৩০০-৪০০ টাকা পর্যন্ত ইনকাম করে থাকেন। তবে এর সবটাই নির্ভর করবে আপনার কাজের দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও আন্তরিকতার উপর।

ডাটা এন্ট্রি কাজের ওয়েবসাইট

মোবাইলে ডাটা এন্ট্রি করে আয়। আপনি যদি বাড়িতে বসে ডাটা এন্ট্রির কাজ করে আয় করতে চান, তাহলে অনলাইনে অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে যেখানে আপনি আপনার দক্ষতা অনুযায়ী কাজ খুঁজে পেতে পারেন। এই ওয়েবসাইটগুলোকে সাধারণত ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম বলা হয়। এই প্ল্যাটফর্মগুলোতে কাজের বিস্তারিত বিবরণ, কাজের পরিমাণ, সময়সীমা এবং পারিশ্রমিক দেওয়া থাকে। আপনি আপনার পছন্দ অনুযায়ী কাজ বেছে নিয়ে কাজ শুরু করতে পারেন।

Upwork: বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্মগুলোর একটি। এখানে ডাটা এন্ট্রি থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের কাজ পাওয়া যায়। আপনি আপনার প্রোফাইল তৈরি করে ক্লায়েন্টদের offer দিতে পারেন।

Fiverr: Fiverr এ আপনি ছোট ছোট কাজের জন্য বাজেট নির্ধারণ করতে পারেন। ডাটা এন্ট্রির মতো ছোট কাজের জন্য এটি একটি জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম।

Freelancer.com: Freelancer.com এ বিভিন্ন ধরনের প্রজেক্ট পাওয়া যায়, যার মধ্যে ডাটা এন্ট্রিও অন্তর্ভুক্ত। 

Guru.com: Guru.com এ আপনি আপনার দক্ষতা অনুযায়ী কাজ খুঁজে পেতে পারেন। এখানে আপনি আপনার নিজস্ব মূল্য নির্ধারণ করতে পারেন।

PeoplePerHour: PeoplePerHour এটা এমন একটি মার্কেটপ্লেস যেখানে আপনি ঘন্টার চুক্তি ভিত্তিতে কাজ করতে পারবেন।

এ ছাড়াও বিশ্বের অনেক বিখ্যাত ও বিশ্বস্ত কিছু ডাটা এন্ট্রি ওয়েবসাইটের তালিকা নিম্নে দেওয়া হলো আমি বিশ্বাস করি আপনারা যদি এই সমস্ত মার্কেটপ্লেসে ভালোভাবে একাউন্ট খুলে আপনার দক্ষতার পরিচয় দিতে পারেন এবং ক্লাইন্ট ম্যানেজমেন্ট করে তাদের প্রজেক্ট বুঝে সঠিকভাবে যদি কাজ করতে পারেন তাহলে আপনি অনেক ভালো দক্ষ ডাটা এন্ট্রি স্পেশালিস্ট হিসাবে কাজ করতে পারবেন।

  1. Upwork
    https://www.upwork.com
  2. Fiverr
    https://www.fiverr.com
  3. Freelancer
    https://www.freelancer.com
  4. PeoplePerHour
    https://www.peopleperhour.com
  5. Guru
    https://www.guru.com
  6. Toptal
    https://www.toptal.com
  7. Microworkers
    https://www.microworkers.com
  8. Amazon Mechanical Turk
    https://www.mturk.com
  9. Clickworker
    https://www.clickworker.com
  10. Remote.co
    https://www.remote.co

কাজ পাওয়ার জন্য কিছু টিপস:

  • আপনার প্রোফাইল তৈরি করুন: আপনার দক্ষতা, অভিজ্ঞতা এবং পোর্টফোলিও (যদি থাকে) সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করে একটি আকর্ষণীয় প্রোফাইল তৈরি করুন।
  • কাজ খুঁজুন: আপনার দক্ষতার সাথে মিল রেখে কাজ খুঁজুন।
  • প্রস্তাব দিন: আপনার মনে হয় যে কাজটি আপনি করতে পারবেন, তাহলে ক্লায়েন্টকে প্রস্তাব দিন।
  • কাজ সম্পন্ন করুন: কাজটি সময়মতো এবং নির্ভুলভাবে সম্পন্ন করুন।
  • রেটিং পান: ক্লায়েন্ট আপনার কাজে সন্তুষ্ট হলে আপনাকে রেটিং দেবেন।

শেষ কথা 

তাহলে আজকে আমরা জানতে পারলাম মোবাইলে ডাটা এন্ট্রি করে আয় এবং এই ডাটা এন্ট্রি করার জন্য কোন কোন উপায় অবলম্বন করতে হবে এবং কোন কোন মার্কেটপ্লেস থেকে ডাটা এন্ট্রি করে সহজেই প্রতি মাসে ভালো পরিমাণে একটা অ্যামাউন্ট ইনকাম করা সম্ভব এবং কোন কোন বিষয়গুলো থেকে সতর্ক থাকব কাজ করার সময়। এছাড়াও জানতে পারলাম কিভাবে ফ্রিতে আমরা ডাটা এন্ট্রি কাজ শিখতে পারবো। আশা করি আজকের এই তথ্যবহুল আর্টিকেলটি আপনাদের ভালো লেগেছে। যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না।  ভুল-ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। এতক্ষণ আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

পোষ্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
x